ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬
আপডেট : ১০ অক্টোবর, ২০২৪ ১১:৪৬

চিত্রশিল্পী সুলতানের ৩০তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক
চিত্রশিল্পী সুলতানের ৩০তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

বরেণ্য চিত্রশিল্পী এসএম সুলতানের ৩০তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ বৃহস্পতিবার।

এ উপলক্ষে জেলা প্রশাসন ও এসএম সুলতান ফাউন্ডেশন নানা কর্মসূচি নিয়েছে।

কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে আজ সকাল সাড়ে ৬টায় শহরের মাছিমদিয়ায় এস এম সুলতান স্মৃতি সংগ্রহশালায় শিল্পী সুলতানের রুহের মাগফিরাত কামনা করে কোরআন খতম, সকাল ৮টায় শিশুস্বর্গ মিলনায়তনে শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, সকাল ৯টায় শিল্পী এস এম সুলতানের সমাধিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি ও দোয়া মাহফিল।

এছাড়া, সকাল সাড়ে ৯টায় শিশুস্বর্গে শিশুদের অঙ্কিত চিত্রকর্ম প্রদর্শনী উদ্বোধন, সকাল ১০টায় শিশুস্বর্গ মিলনায়তনে শিল্পী এস এম সুলতানের জীবন ও কর্মের ওপর আলোচনা ও পুরষ্কার বিতরণী, বেলা ১১টায় পটগান।

শিল্পী সুলতানের ৩০তম মৃত্যুবার্ষিকী যথাযথভাবে পালনের লক্ষ্যে যাবতীয় প্রস্তুতি এরই মধ্যে শেষ হয়েছে বলে জানান অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শাশ্বতী শীল। এসব কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন জেলা প্রশাসক ও সুলতান ফাউন্ডেশনের সভাপতি শারমিন আক্তার জাহান।

জানা যায়, বরেণ্য চিত্রশিল্পী এস এম সুলতান ১৯২৪ সালের ১০ আগস্ট নড়াইল শহরের মাছিমদিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। শিল্পী সুলতান যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, পাকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশ সফর করেন এবং এসব দেশে প্রখ্যাত চিত্রকরদের সঙ্গে তার ছবি প্রদর্শিত হয়।

১৯৫৫-৫৬ সালের দিকে শিল্পী সুলতান মাটির টানে দেশে ফিরে আসেন এবং নিজস্ব উদ্যোগে জন্মস্থান নড়াইলের মাছিমদিয়ায় ফাইন আর্ট স্কুল ও শিশুস্বর্গ নামে শিশু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন।

শিল্পী এস এম সুলতান ১৯৮২ সালে একুশে পদক, ১৯৯৩ সালে স্বাধীনতা পদক পান। ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ সরকারের রেসিডেন্ট আর্টিস্ট এবং ১৯৮৬ সালে বাংলাদেশ চারুশিল্পী সম্মাননা হিসেবেও স্বীকৃতি পান। সুলতানের স্মৃতিকে ধরে রাখার জন্য তার নিজ বাড়িতে নির্মিত হয়েছে এস এম সুলতান স্মৃতি সংগ্রহশালা।

১৯৯৪ সালের ১০ অক্টোবর এ শিল্পী দীর্ঘদিন শ্বাসকষ্টে ভোগার পর যশোর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে মারা যান। নড়াইলের মাছিমদিয়ায় নিজ বাড়ির আঙিনায় তাকে সমাহিত করা হয়।

উপরে